Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

সামরিক জোটে যাওয়া ঠিক হবে না বাংলাদেশের, এশিয়ায় সামরিকায়ন নিয়ে ওয়েবিনার

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র দেশগুলোর বৃহৎ দেশগুলোর সামরিক জোটে অংশ নেওয়া উচিত হবে না বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। গতকাল বুধবার ঢাকায় সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এক ওয়েবিনারে তাঁরা এই অভিমত জানান। তবে তাঁরা মনে করেন, বিভিন্ন ইস্যুতে এসব দেশ গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারে। সিজিএস ‘এশিয়ায় সামরিকায়ন: এ অঞ্চলের ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর করণীয়’—শীর্ষক এই ওয়েবিনার আয়োজন করে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের  প্রেসিডেন্ট মেজর (অব.) জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেন, ভারত মহাসাগর অঞ্চলে শক্তির উত্থান ঘটছে। এ ব্যাপারে ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর সচেতন হওয়া এবং বড় ধরনের কোনো সংঘাতের মধ্যে না জড়ানো প্রয়োজন।

ভারতের বিবেকানন্দ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো ড. রাধা দত্ত বলেন, আমরা সবাই ভারত মহাসাগরসহ এশিয়া অঞ্চলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা চাই। তবে এই সময় করোনা মহামারি চলছে। সে কারণে সব দেশকেই করোনা মহামারি প্রতিরোধে জোর দিতে হবে।

পাকিস্তানের ড. মারিয়া সুলতান বলেন, চীন ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ (বিআরআই)’ নিয়ে সামনে এগিয়ে চলছে। এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার দেশগুলোকে নিয়ে বিআরআই বাস্তবায়ন করছে চীন। তবে আগামীতে চীন এই অঞ্চলের সাগর-মহাসাগর ঘিরেও তাদের পরিকল্পনা বিস্তৃত করতে পারে। আর সে কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘কোয়াড্রিলটারেল সিকিউরিটি ডায়লগ (কোয়াড)’ এই অঞ্চলে শক্তিশালী হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। 

বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের সাবেক বার্তা সম্পাদক ল্যারি জ্যাগান বলেন, বর্তমানে মিয়ানমার পুরো অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি। মিয়ানমার যতটা দক্ষিণ এশিয়ার, তার চেয়েও বেশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ।

তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে মিয়ানমারে সামরিক হস্তক্ষেপ বেড়েছে। তবে ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ বাড়েনি।

News Courtesy:

https://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2021/07/29/1057814