Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

‘সব জায়গায় ফ্যাসিজমের দোসররা রয়েছে’

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘দেশের সব জায়গায় ফ্যাসিজমের দোসররা রয়েছে। সেখানে এক রাতে সব পরিবর্তন করা সম্ভব না। বিভ্রান্ত না হয়ে আমরা সবাই মিলে কাজ করতে চাই।’

গতকাল শনিবার সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘দুঃসময়ের কণ্ঠস্বর : তাদের স্বপ্ন ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘একটা ফ্যাসিস্ট সরকার একা কাজ করে না, সংবাদমাধ্যম, প্রশাসন সঙ্গে নিয়ে কাজ করে। আমাদের সবার স্বপ্ন ভিন্ন নয়। সংস্কার করা সম্ভব। জনস্বার্থেই সংস্কার করা প্রয়োজন।

আমার মতে, সবচেয়ে বড় স্বাধীনতা হচ্ছে বিচার পাওয়া। আমরা এমন একটা সমাজ চাই, যেখানে সময়মতো বিচার হবে।’

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক এবং নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আমাদের সামনে অপূর্ব সুযোগ পরিবর্তন আনার। যদি বিভক্তির রাজনীতি করি অন্তর্ভুক্তির বদলে, টেনে নামানোর রাজনীতি থেকে বের না হই, তবে সব সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে যাবে।’

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ‘সরকার নামানো, সরকার চালানো এক নয়। এই আন্দোলনকে শুধু বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের আন্দোলন হিসেবে মনে করেছে এ সরকার। আমরা সকল স্তরের জনগণ এক সুতোয় গাঁথা ছিলাম।

সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ নেই। রাজনীতিবিদদের বিশ্বাস করতে হবে এই সরকারের। বাংলাদেশের সবাই সরকারের অংশীজন হতে চায়, এ বিষয়ে সরকারের সুদৃষ্টি প্রয়োজন।’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘ফ্যাসিস্টরা দেশ-বিদেশে এখনো কাজ করছে দেশকে অস্থিতিশীল করতে। ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান ঠেকানো, সিস্টেম বদল করা বেশ বড় চ্যালেঞ্জ। গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র তৈরি করতে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন।’

ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের সংগঠক মাইকেল চাকমা সামরিক শাসন পাহাড় থেকে সরানো হলে তা অন্য দেশের হয়ে যাবে। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায় পাহাড়কে এমন কথা বলা হয়। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে, সামরিকভাবে সমাধান করা যাবে না। দেশে শান্তি ফিরে আসবে এই আশা ব্যক্ত করেন।

সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সব কটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে অনেকেই কথা বলেছেন।

অনেকেই নির্যাতন, নিষ্পেষণের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলো সব সময় একপক্ষকে তাল দিয়েছে। শুধু একটু সাহস দেখানোর প্রয়োজন ছিল, সত্য বলার জন্য।

বাংলাদেশের সাংবাদিকদের আরও বেশি পেশাদারির পরিচয় দেওয়া প্রয়োজন। সত্য কথা বলতে চাই আমরা। অপতথ্য, গুজবের মধ্যে দীর্ঘ সময় বসবাস করেছি আমরা, সেখান থেকে বের হওয়া প্রয়োজন।’

News Courtesy:

https://www.deshrupantor.com/538466/%E2%80%98%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E2%80%99