Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

রোহিঙ্গা সংকটের সুরাহায় ভারত, চীনের মতো দেশগুলোকে এক জায়গায় আনতে হবে: ইইউ রাষ্ট্রদূত

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারত ও চীনের মতো আঞ্চলিক প্রভাবশালী দেশগুলোকে এক ছাদের নিচে আনতে হবে বলে মনে করেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াটলি।

ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক জোরদার হবে বলেও আশাবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াটলি। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। পরবর্তী ১০ বছর বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠবে।

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক মতবিনিময় সভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াটলি এ কথা বলেন। সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) এবং ফ্রেডরিক-এবার্ট-স্টিফটুং, বাংলাদেশ (এফইএস, বাংলাদেশ) যৌথভাবে ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’ শিরোনামে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান।

আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ–ইইউ সম্পর্ক নিয়ে তাঁর প্রত্যাশা সম্পর্কে জানতে চাইলে চার্লস হোয়াটলি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বাজারকে এর সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইচ্ছুক। এ সময় বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কে অনেক উন্নয়ন ঘটবে বলেই তিনি মনে করেন।

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নিয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও শরণার্থী সংকট রয়েছে। তাই আমরা জানি, শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া কতটা ব্যয়বহুল হতে পারে। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের পক্ষ থেকে যতটুকু করার সেটা করবে। এ জন্য ভারত, চীনের মতো আঞ্চলিক প্রভাবশালী দেশগুলোকে এক ছাদের নিচে আনতে হবে। মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে।’

রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে চার্লস হোয়াটলি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কূটনৈতিক পদ্ধতি অবলম্বন করছে। ইউরোপে আর কোনো যুদ্ধের বিস্তৃতি ঘটুক, সেটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন চায় না।

যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশ, ভারত ও চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে কোনো ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে কি না, জানতে চাইলে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।

একই সঙ্গে চীনও বিশ্বে একটি পরাশক্তি হয়ে উঠেছে। চীনের সঙ্গে কিছু বিষয়ে আদর্শগত ভিন্নতা থাকলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

News Courtesy:

https://www.prothomalo.com/bangladesh/hh31nhjftw?fbclid=IwAR09-lXGEQthYsVgz40CMjAciDlktETQ_W2iGj-iwe1XM3xRiD1fzHXzxiQ