Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

মাদক সাপ্লাইকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

কিছু সাংবাদিক, পুলিশ ও বিত্তবান ব্যক্তি  মাদক সাপ্লাই (সরবরাহ) করেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, যারা এসব করেন তাদের সবাইকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসছি। কেউই  বাদ যাচ্ছে না।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘মাদকাসক্তি নিরাময়ে বেসরকারি খাতের ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনি জেলখানায় গিয়ে দেখুন, মাদকের মামলায় পুলিশের সদস্য যেমন আছেন, র‌্যাবের সদস্যও আছেন, তেমনি অন্য ব্যবসায়ীরাও রয়েছেন। পুলিশ বলে তার জন্য আইন আলাদা হবে, বিষয়টি এমন কখনোই  নয়।

ডোপ টেস্টের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পুলিশে যারা মাদক নেন, তাদের ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে। ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলে তাকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। এ জায়গায় আমরা খুব কঠিন অবস্থানে চলে আসছি।

মন্ত্রী আরো বলেন, চাকরির শুরুতে যারা সিলেক্টেড হবে, তাদের ডোপ টেস্ট করার প্রচলন পুরোপুরিভাবে শুরু করা হচ্ছে। পুলিশ-বিজিবি সব জায়গায় ডোপ টেস্টের প্রচলন রয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাদকাসক্ত হচ্ছে কি না, সেখানেও মনে হলে আমরা ডোপ টেস্ট করব। চিকিৎসকরা নাকি সবচেয়ে বেশি মাদক গ্রহণ করেন। তবে বিষয়টি আমার জানা নেই।

মাদকের চাহিদা হ্রাসে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে যে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছি, তা বরবাদ হয়ে যাবে যদি মাদকের ভয়াবহতা থেকে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে না পারি।

তিনি বলেন, আমাদের সন্তানরা অত্যন্ত মেধাবী। সেই প্রজন্মকে যদি মাদকাসক্তি থেকে রক্ষা করতে না পারি, তাহলে আমাদের স্বপ্ন অবাস্তবই থেকে যাবে। মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে  মিডিয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমরা মাদকের চাহিদা হ্রাসে শুধু ক্রোড়পত্র দেই না, ছোট ছোট টিভিসি বানাচ্ছি। প্রত্যেকটি জেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের জনবল ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করছি। ল্যাবও হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশে ৬০-৭০ লাখ মাদকাসক্ত। এজন্য ভালো হাসপাতাল নেই। আমাদের মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে অভিজ্ঞ ডাক্তার নেই, সাইকিয়াট্রিস্ট (মনোরোগ বিশেষজ্ঞ) নেই। তেজগাঁও সরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে উচ্চ ও মধ্যবিত্তের কেউ যান না।

বেসরকারি খাতে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র চালুর জন্য সরকারিভাবে সহায়তার আশ্বাসও দেন মন্ত্রী।

News Courtesy:

https://www.daily-bangladesh.com/national/341780