Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

ভবিষ্যতে মানব উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) গত পাঁচ বছরে তাদের ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের আনুষ্ঠানিক উন্নয়ন সহযোগিতার (ওডিএ) ১০ শতাংশ বাংলাদেশকে দিয়েছে। যার হাত ধরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প অনেক দূর এগিয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হুইটলি।

তিনি বলেন, আমরা ঋণ দিয়ে বাংলাদেশকে এ অবস্থায় এনেছি বিষয়টি এমন নয়। বরং আমরা এ দেশের মানুষকে সহযোগিতা করেছি। নিজেদের প্রচেষ্টায় সেই জায়গাটি তারা দখল করেছে। বর্তমানে পোশাকের পাশাপাশি চামড়া, ওষুধসহ বেশকিছু ক্ষেত্রেও এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

গতকাল সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২২’-এর তৃতীয় ও শেষ দিনের সংলাপে এসব কথা বলেন চার্লস হুইটলি।

‘কিউরেটেড গ্রোথ: দ্য রুল অব ওডিএ অ্যান্ড পিটিএ ইন শেপিং সাউথ এশিয়ান ইকোনমিকস’-এর প্লেনারি সেশনে আলোচকরা বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের ওডিএ দ্রুতগতিতে কমছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো প্রেফারেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্টের জন্য সবসময় দোটানায় থাকে। সুতরাং সামনের দিনগুলোয় তাদের মানব উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি গড়ার জন্য প্রাধান্য ঠিক করতে হবে বলে মনে করেন বিএনপি নেতা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, যেসব খাত থেকে আমরা সর্বোচ্চ পরিমাণ লাভবান হতে পারি সেগুলোয় বিনিয়োগ করতে হবে। আমাদের দেশের বেশির ভাগ বিনিয়োগ হয়েছে অবকাঠামো নির্মাণে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। সুতরাং আমাদের মানব উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। প্রাধান্য দিতে হবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে।

বাংলাদেশের ওডিএ কমে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে ইউএনডিপি বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, আমাদের এখন প্রেফারেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্টের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে ছোট ও মাঝারি শিল্প এবং দক্ষতা বিনিময়ের ওপর।

বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক উন্নয়ন সহযোগিতা দেয়ার কারণ জানিয়েছেন জাপানের রাকুটেন সিকিউরিটিজ ইকোনমিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রিসার্চ ফেলো ইউসিকাজো কেটো। তিনি বলেন, মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের জন্য, অসমতা দূর করতে এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নতির জন্যই আমরা বাংলাদেশকে ওডিএর মাধ্যমে সহযোগিতা করেছি।

‘দ্য শ্যাকেল্ড প্রিভিলিজ অব পেটিয়ার্কি অ্যান্ড দ্য মিথ অব উইমেনস এমপাওয়ারমেন্ট ইন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক প্লেনারি সেশনে দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের অগ্রগতিতে বাধাগুলো তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি এ থেকে উত্তরণে কী কী পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে, সেসব কথাও উঠে আসে।

দেশ গার্মেন্টস লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভিদিয়া অমৃত খান বলেন, আমাদের ধর্ম মেয়েদের বাড়ির বাইরে বেরিয়ে কাজ করাকে বাধা দেয় না। বরং আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি এবং পুরুষের ভয়েই নারীরা বাইরে কাজ করতে বাধাপ্রাপ্ত হন।

শিক্ষার অগ্রগতির কথা তুলে ধরে মালদ্বীপের শিক্ষামন্ত্রী মারিয়াম নাসির বলেন, আমরা মানসম্মত শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছি। একই সঙ্গে সাম্য ও সমতার ওপরও জোর দিচ্ছি।

বাংলাদেশে নারীরা এখনো অগ্রসর শ্রেণীতে উন্নীত হতে পারেনি উল্লেখ করে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেন, এখনো দেশের নারীরা রাজনীতিতে আসতে চান না। সব দলেই ৩০ শতাংশ নারী সদস্য থাকার বাধ্যবাধকতা আছে। কিন্তু এখনো কোনো রাজনৈতিক দল এ সংখ্যা পূরণ করতে পারেনি। যদিও নারীরা অনেকে নেতৃত্বের জায়গায় রয়েছেন। কিন্তু তা প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতা অর্জনের জন্য সহায়ক হয়ে উঠতে পারেনি।

News Courtesy:

https://bonikbarta.net/home/news_description/321427/%E0%A6%AD%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC-%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87