Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি বলেছেন, বাংলাদেশ এরই মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। পরবর্তী ১০ বছর বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠবে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বাজারকে তার সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে হবে। ইইউ বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইচ্ছুক বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া আগামী ১০ বছরে ইইউ বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বাড়াতে চায় বলে জানান তিনি।

রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল শুরু হয়েছে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) এবং ফ্রেডরিক-এবার্ট-স্টিফটুং, বাংলাদেশের (এফইএস, বাংলাদেশ) যৌথ আয়োজনে ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’ সিরিজের প্রথম অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন হোয়াইটলি।

বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইইউ থেকে কোনো পর্যবেক্ষক দল থাকবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি জানি না। জাতীয় নির্বাচন আরো ১৮ মাস পরে এবং এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যায়নি। সর্বশেষ যৌথ কমিশনের বৈঠকে সরকারের সঙ্গে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য সবকিছু নিয়েই আলোচনা হয়েছে এবং আমার উত্তর হচ্ছে, আমি কিছু জানি না।

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মন্তব্য করার কোনো অধিকার নেই—সরকারের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানান। তবে বাংলাদেশের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও শরণার্থী সংকট রয়েছে। তাই আমরা জানি, শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়া কতটা ব্যয়বহুল হতে পারে। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য ইইউ তাদের পক্ষ থেকে যতটুকু করার সেটা করবে। এজন্য ভারত ও চীনের মতো আঞ্চলিক প্রভাবশালী দেশগুলোকে এক ছাদের নিচে আনতে হবে। মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে।

রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে ইইউ কূটনৈতিক পদ্ধতি অবলম্বন করছে। ইউরোপে আর কোনো যুদ্ধের বিস্তৃতি ঘটুক সেটি ইইউ চায় না। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। একই সঙ্গে চীনও বিশ্বে একটি পরাশক্তি হয়ে উঠেছে। কিছু বিষয়ে আদর্শগত ভিন্নতা থাকলেও ইইউ চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে।

হোয়াইটলি জানান, বাংলাদেশের অবকাঠামোগত নির্মাণ শিল্পে তাদের আগ্রহ বেশি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণদের অপার সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলো তারা কাজে লাগাতে চান। পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে ইইউ বাংলাদেশে প্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণের পরিমাণ বাড়াতে চায়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সিজিএস চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী ইইউর সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ইইউর কাছ আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। ইইউর সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক আছে সেটির জন্য আমরা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছি।

বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর পেছনে ইইউর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাহায্য-সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় থাকবে।

News Courtesy:

https://bonikbarta.net/home/news_description/306583/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8?fbclid=IwAR0LFzlQpVjM6wxTaO71TJ1DMw0EUV4XslDPmmfd42YZrW92xZ8ESelqjIc