Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

বাংলাদেশে উদ্বেগ জনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তদের সংখ্যা

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

বুধবার বিকালে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ৫,১৯২ জনে। তবে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে যারা বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তার কোন হিসেব জনা যায় নাই। বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৮৪১ জন এবং ঢাকার বাইরে ৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন বলে প্রতিদেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, আজ ঢাকায় সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত ঢাকার ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ও কীটতত্ত্ববিদ ড. মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী বলেছেন ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে এখনো মহামারি বলা না গেলেও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি মহামারি হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে। তিনি ডেঙ্গু মহামারির শঙ্কার কথা জানিয়ে বলেন চলমান করোনা মহামারির সময়ে ডেঙ্গু মহামারি হলে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। লার্ভার পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ এডিস মশা নিধনের প্রতি জোর দিয়ে ড. মঞ্জুর আহমেদ বিশ্বের অন্যান্য দেশ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এডিস মশার বিস্তার রোধে যে সকল কার্যক্রম গ্রহণ করার দিকে নজর দিয়েছে সেগুলোকে বাংলাদেশে প্রয়োগের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

মেডিকেল কীটতত্ত্ববিদ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তৌহিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন এই বছর করোনা মহামারির সময়ে ডেঙ্গুর ব্যাপারে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রার ওপর ভিত্তি করে জরিপ করে দেশে বিশেষ করে ঢাকায় ডেঙ্গু সংক্রমণের বিষয়ে একটা আগাম ধারনা নেয়া দরকার ছিল কেননা এই বছর অনেক আগে থেকেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে এবং তাপমাত্রাও বেশি ছিল যা কি না এডিস মশার বংশ বিস্তারের জন্য আদর্শ পরিস্থিতি। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে কিছুটা জরিপ করা হলেও সিটি কর্পোরেশনগুলো থেকে কোনও জরিপের উদ্যোগ নেওয়া হয় নাই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে যারা বক্তব্য দিয়েছেন তাদের সকলেই বলেছেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সুরক্ষার প্রতি জোর দিতে হবে। তাঁরা বলেছেন যেহেতু শিশুরা ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে সবচেয়ে বেশি তাই শিশুদের বিষয়ে বেশি যত্ন নিতে হবে। শিশুদের মশারি ছাড়া ঘুমাতে দেওয়া যাবে না বলে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন তাদের এমন পোশাক পরাতে হবে যাতে শরীরকে ঢেকে রাখা যায়।

News Courtesy:

https://www.voabangla.com/a/numbers-of-dengi-patients-on-the-rise-in-bangladesh/5998967.html?fbclid=IwAR2DW3hFiFB8_vADj_xt7b0RaQK8YtEkm06GmWt8CMDOPNhOu4g0v9DGAX8