Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

নাগরিকদের অস্বস্তিতে রেখেছে আইসিটি আইন

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দেশের তথ্যপ্রযুক্তিগত সমস্যায় কোনো উপকারে আসছে না। এটি রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকে অস্বস্তিতে রেখেছে। সংবিধান নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা, চিন্তার স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দিলেও এ আইন তা ক্ষুণ্ন করেছে। এ আইনের অপপ্রয়োগ হচ্ছে। দেশে দৃশ্যমান উন্নয়ন হলেও আইনের শাসন, গণতন্ত্রের মতো দৃশ্যমান নয় এমন খাতগুলোর কোনো উন্নয়ন হয়নি।

গতকাল সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ আয়োজিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮: রাজনীতিবিদদের চোখে’ শীর্ষক অনলাইন আলোচনায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

অনলাইন ওয়েবিনারে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়াম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়াম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, জাতীয় পার্টির কো-চেয়াম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও সিজিএসের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী।

মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, একচেটিয়াভাবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ হচ্ছে। কখনো কখনো বাকস্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। কতটুকু রাষ্ট্রীয় স্বার্থে, কতটুকু রাজনৈতিক আর কতটুকু ব্যক্তি স্বার্থে তা নির্ণয় করতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন তার ভারসাম্য রক্ষা করে না। এটি পুরোটাই রাজনৈতিক স্বার্থে তৈরি ও প্রয়োগ করা হচ্ছে।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, এ মুহূর্তে আওয়ামী লীগের মতো অজনপ্রিয় সরকার কখনই দেশে ছিল না। তারা গণতন্ত্রের বদলে ধনতন্ত্রকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকার বাকস্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণ করে ক্ষমতায় থাকার জন্য এ আইন করেছে।

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, মানুষ যখন নাগরিক অধিকার, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে থাকে, তখনই সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে। সরকার এ আইন (আইসিটি) করেছে যাকে ইচ্ছে তাকে যাতে ধরতে পারে। দেশে মানহানি বা গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অপরাধে বিচার হতে পারে। কিন্তু যেই আইন মানুষের কোনো উপকারে আসে না, সেই আইন রাখার দরকার নেই।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতি বছর হালনাগাদ হচ্ছে, ব্যবহারকারী বাড়ছে। এজন্য নতুন আইন দরকার। সরকার একটি গোষ্ঠীকে সুবিধা দিচ্ছে, অন্যটিকে বঞ্চিত করছে। অথচ সব মানুষের অধিকার রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। সরকারের এ আইনের বিধি-বিধানের উদ্দেশ্য অসৎ।

News Courtesy:

https://bonikbarta.net/home/news_description/291795/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8?fbclid=IwAR2RqCfiS2xvFz8Smu4dG_OOxGXRbrFdr4fVxrrKowbPCI9FH7YGrsdiCek