Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

দেশ অন্ধকার হবে, নাকি আলোকিত হবে নির্ভর করছে সেনাবাহিনীর উপর :শামসুজ্জামান দুদু

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ধীরে ধীরে আমরা একটি অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগামী ২৪ তারিখের পর সেনাবাহিনী নামবে। এই ২৪ তারিখের পর দেশ অন্ধকার হবে, নাকি আলোকিত হবে; সেটির জন্য আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে।

 

শনিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটনের বিলস অডিটরিয়মে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিস আয়োজিত ‘সুষ্ঠু নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিউ এজ পত্রিকার সম্পাদক নুরুল কবির।

 

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই আমরা নিজেদের মতো করে অনেক চ্যালেঞ্জ করেছি, আবার সেগুলো অতিক্রমও করেছি। কিন্তু বর্তমানে এক অন্ধকার জায়গায় বাস করছি আমরা। অনেকেই বলছে ২৪ তারিখের পরে সেনাবাহিনী নামবে এই ২৪ তারিখের পরে দেশ অন্ধকার হবে নাকি আলোকিত হবে সেটির জন্য আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে। কারণ পুলিশ প্রশাসন তো এক পক্ষ নিযে ফেলেছে যার যতটুকু আছে ততটুকু করছে তারা। দেশে যতগুলো ভালো কাজ হয়েছে সব কাজের সঙ্গে সেনাবাহিনী সম্পৃক্ত ছিল।

 

সেমিনারে বিএনপির এই শীর্ষনেতা বলেন, ‘আমি যদি সেনাবাহিনীর সমর্থন করি তাহলে অনেকেই হয়তো বলবে আপনার দলের প্রধান সেনাবাহিনী ছিল। কিন্তু এটাও তো সত্য দেশে যতগুলো ভালো কাজ হয়েছে সব কাজের সঙ্গে সেনাবাহিনী সম্পৃক্ত ছিল। এটা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও স্বীকার করেছে ১/১১ এর পরে তিনি বলেছিলেন এটা আমাদের আন্দোলনের ফসল।

 

দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে মন্তব্য করে সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘রাজনীতিটা ক্রমে শেষ হয়ে যাচ্ছে আমাদের বয়স হচ্ছে একদিন চলেও যেতে হবে কিন্তু কতটুকু রেখে গেলাম কি দিয়ে গেলাম কি দেখে গেলাম এটাই মুখ্য বিষয়। তবে যে যাই বলুক স্বাধীনতার ঘোষণা তো জিয়াউর রহমানই দিয়েছিলেন। কান, চোখ আর চিন্তার বাইরে তো কিছু নেই।

 

১৯৭৫ সালের বাকশাল সরকারের ঘটনা উল্লেখ করে দুদু বলেন, ১৯৭৫ সালের ঘটনা খুবই নির্মম ঘটনা, এগুলোকে আমরা কখনও সমর্থন করি না। তবে ৭৫ এ দুটি ঘটনা ছিল তখন বাকশাল শাসকের পতন হয়েছিল কিন্তু আমরা প্রথমটা বলি দ্বিতীয় টা বলি না। দ্বিতীয় টা যদি আলোচনায় আসে তাহলে এদেশে যতই অন্ধকার আসুক আশার আলো থাকে। কারণ এই জাতির উৎসব হচ্ছে সংগ্রাম, আন্দোলনটা তারা উৎসব মনে করে।’

 

News Courtesy: http://www.primenewsbd24.com