Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

‘দেশের শান্তি-অগ্রগতি চাইলে বিভেদ কমাতে হবে’ (ভিডিও)

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও দেশে আয় বৈষম্য বা বিভেদ কমেনি বলে মনে করছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান। তিনি বলেছেন, তিন দশক ধরে বাংলাদেশে আয় বৈষম্য বেড়েছে, যার পেছনে দুর্নীতি ও কালো টাকার প্রবাহ ছাড়াও সরকারের পৃষ্টপোষকতা রয়েছে। বাংলাদেশের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর একটি হোটেলে বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আকবর আলি বলেন, এই বৈষম্য বেড়েছে গত ২৫ থেকে ৩০ বছরে। এর একটি কারণ হচ্ছে, দেশে প্রচণ্ড দুর্নীতি চলছে, এই দুর্নীতির ফলে কালো টাকা এবং সরকারের পৃষ্টপোষকতায় আমাদের এখানে বৈষম্য বেড়েই চলেছে। বিশ্বের ৬৫ শতাংশ দেশে বাংলাদেশের চেয়ে আয় বৈষম্য কম এবং ৩৩ শতাংশ দেশে একই পর্যায়ের বৈষম্য রয়েছে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার চার মূলনীতির মধ্যে জাতীয়তাবাদ ‘চূড়ান্তভাবে’ অর্জিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা নিয়ে চিন্তার কারণ নেই। চিন্তার কারণ হল গণতন্ত্র নিয়ে, ধর্ম নিরপেক্ষতা নিয়ে। কারণ যে দেশে গণতন্ত্র নেই, সেদেশে ধর্ম নিরপেক্ষতা টেকসই ভিত্তিতে করা সম্ভব না।

‘উদারনৈতিক গণতন্ত্র’ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনা হলেও বাংলাদেশে তা ‘দুর্বল’ অবস্থায় রয়েছে বলে মনে করেন ড. আকবর আলি।  তিনি বলেন, উদারনৈতিক গণতন্ত্রে কেবল নির্বাচন হলেই চলবে না। একে অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। সেখানে সিভিল সোসাইটির ভূমিকা থাকতে হবে, সেখানে আইনের শাসন থাকতে হবে। এই ধরনের বিষয়গুলো বাংলাদেশ এখনও দুর্বল।

সিজিএসের চেয়ারম্যান মনজুর আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাফর ইমাম, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ ইব্রাহিম বীর প্রতিক বক্তব্য রাখেন।

News Courtesy:

https://mzamin.com/article.php?mzamin=307547