Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

দেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে এর চেয়ে বেশি সংস্কার আর হয়নি: আসিফ নজরুল

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যতটা সংস্কার হয়েছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে তেমনটি এর আগে আর হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, ‘এটা সবিনয় বলব এবং অত্যন্ত জোরে বলব।’

আজ রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন’ শীর্ষক নীতি সংলাপে আসিফ নজরুল এ কথাগুলো বলেন।

সংলাপের আয়োজক সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। এতে সম্মানিত অতিথি ছিলেন আইন উপদেষ্টা। রাজনীতিক, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এই সংলাপে অংশ নেন।

আসিফ নজরুল বলেন, এখন একটা ‘কমন ট্রেন্ড’ হচ্ছে কী কী সংস্কার হয়েছে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন করা। প্রশ্ন করা খুবই ভালো। তবে প্রশ্ন করার মধ্যে তিন ধরনের নেতিবাচক বাস্তবতা দেখা যায়।

আইন উপদেষ্টা বলেন, অনেকে বলেন, কোনো সংস্কার হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শুধু ফিন্যান্সিয়াল ও ব্যাংকিং সেক্টরে যে সংস্কার হয়েছে, তার ফল সবাই দেখতে পাচ্ছে। ব্যাংকিংয়ের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে এসেছে। রেমিট্যান্স যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল আছে। এগুলো সংস্কার ছাড়া করা সম্ভব ছিল না। তাই কোনো সংস্কার হয়নি—কথাটি ঠিক নয়। যথেষ্ট সংস্কার হয়েছে। সময়ের বিবেচনায় হয়তো আরও হতে পারত।

যেসব সংস্কার হয়েছে, তা নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন করেন আসিফ নজরুল। উদাহরণ হিসেবে তিনি পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশের কথা বলেন। এটি নিয়ে তাঁর নিজেরও হতাশা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তারপরও যেটা হয়েছে, সেটা তুচ্ছ নয়।

সংস্কার প্রসঙ্গে আইন উপদেষ্টা বলেন, অনেকে বলেন, সরকার কারও সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেনি। এটা খুব হাস্যকর একটা কথা। যে কমিশনগুলো করা হয়েছে, এত এক্সটেনসিভ লেভেলে কনসালটেশন ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করার সময়ও করা হয়নি।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে আসিফ নজরুল বলেন, বলা হয় যে তাঁদের কথা রাখা হয়নি। তাঁরা ১০টা কথা বললে, অন্তত ৬টা রাখা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘প্লিজ, সত্য কথা বলেন।’

News Courtesy:

দেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে এর চেয়ে বেশি সংস্কার আর হয়নি: আসিফ নজরুল | প্রথম আলো