Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

দেশবিরোধীদের সুযোগ নয়: মন্ত্রী

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

রোববার এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি বিএনপি-জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বলেন, “তারা অন্য কোনো দেশের জন্য কাজ করে। বাংলাদেশের প্রতি তাদের কোনো বিশ্বাস নেই।

“যারা আমার রাজনৈতিক অপোনেন্ট (প্রতিপক্ষ) তাদেরকে আমার সুযোগ দিতে হবে রাজনীতি করার জন্য। সত্যিকারের দেশ প্রেমিক প্রতিপক্ষ হলে আমরা অবশ্যই তাদের সুযোগ (স্পেস) দেব। যারা অপোনেন্টের নাম করে অন্য দেশের জন্য কাজ করে, তাদেরকে আমরা স্পেস দেব না।”

রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সম্মেলন কক্ষে ‘চ্যালেঞ্জিং ইন্টারফেইস অব সিকিউরিটি এন্ড ডেভেলপমেন্ট’ আলোচনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন মুস্তফা কামাল।

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব‌্যাংকার মামুনুর রশীদ।

তিনি বলেন, উন্নয়নের জন্য নিরাপত্তা প্রয়োজন কিন্তু অতিরিক্ত নিরাপত্তা আবার সাধারণ মানুষ হতে সরকারকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। অতিরিক্ত নিরাপত্তাবলয় তৈরি করতে গিয়ে অনেক প্রাধিকারের বিষয়গুলো বঞ্চিত হয়।

“যেমন দেশের বিভিন্নঅঞ্চলে বন্যা। মিডিয়াগুলো শুধু ব্যস্ত রয়েছে কোথায় হামলা হচ্ছে, কোথায় নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে, এবিষয়গুলো নিয়ে।”

সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও সেনা কর্মকর্তা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নিরাপত্তার নামে গুলশানকে আরও অনিরাপদ করে তোলা হচ্ছে। কয়েকটি রিকশা, বাস চালু করা হয়েছে কিন্তু প্রতিটি লেইন বন্ধ করা হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করা হচ্ছে।

“এভাবে ঢাকা শহরকে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে নিম্নমানের সন্ত্রাসী প্রতিরোধ করা সম্ভব, টার্গেট কিলিং নয়। টুইন টাওয়ার হামলায় আলকায়েদা খরচ করেছিল মাত্র ৫০ লাখ ডলার, কিন্তু আমেরিকা প্রতি এক ডলারের বিপরীতে নিরাপত্তায় খরচ করেছে ৭৭ লাখ ডলার।”

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন বলেন, নিরাপত্তা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভবপর নয়।

“আমাদের সন্তানের নিরাপত্তা না থাকে, যদি তাদের হদিস না পাওয়া যায়, তাহলে কী করে উন্নয়ন সম্ভব?”

অধ্যাপক আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই আলোচনা অনুষ্ঠানে সাবেক সেনাপ্রধান ও মন্ত্রী নুরুদ্দিন খান, সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, বিআইআইএসএস এর গবেষণা পরিচালক ইফতেখার আহমেদ, সাবেক কূটনীতিক ওয়ালীউর রহমানওবক্তব‌্য রাখেন।

বদিউল আলম বলেন, “আমরা কারচুপি ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন করেছি, এমন ইতিহাস রয়েছে। কিন্তু সমস্যা হল আমরা দলীয়করণ, দুর্বৃত্তায়ন করে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করেছি। এগুলো হলো গণতন্ত্রের খুঁটি।

দুর্নীতির বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, “দেশে দু-চারটা দুর্নীতিবাজ থাকবেই। আমাদের দেশে কতটা দুর্নীতিবাজ আছে, তা আমি বলতে পারব না। তবে অপচয় ও সিস্টেম লস অনেক আছে।