Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে আলোচনা ৮০% মামলার নেপথ্যে সরকারপক্ষের লোকজন

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রায় ৮০ শতাংশ মামলা করেছেন সরকারপক্ষের লোকজন। আর ওই মামলাগুলোর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী সরকারের সমালোচক, ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধী পক্ষ।

গতকাল বৃহস্পতিবার ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ : চড়া মূল্য দিচ্ছে কারা?’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ (সিজিএস) এই ওয়েবিনার আয়োজন করে।

ওয়েবিনারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, গুজব বন্ধ করতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দরকার আছে। সংসদ সদস্য ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দরকার। তবে আইনে যে সমস্যাগুলো আছে সেগুলো সবাইকে নিয়ে সমাধান করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, অস্বচ্ছ শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে এই আইন করা হয়েছে। এনটিভির বার্তা প্রধান জহিরুল আলম বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিকদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ গণ-অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে সমালোচনার জবাবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগের সম্ভাবনার বিষয়টি তুলে ধরেন।

সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান গত কয়েক দিনে দেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা ও কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি তুলে ধরেন। ওয়েবিনারে সিজিএসের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ১৫০০-এর বেশি মামলা হয়েছে। সিজিএস ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৮৩৫টি মামলার তথ্য সংগ্রহ করেছে।

সিজিএসের চেয়ারম্যান মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের সাইবার স্পেস একটি বিপজ্জনক মাইনফিল্ডে পরিণত হচ্ছে। সেখানে লোকজন তাদের মনোভাব প্রকাশে ভয় পায়। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই অধিকারগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে।

News Courtesy:

https://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2022/02/18/1121498?fbclid=IwAR2VePS_LsL3JtysA-lj571EtQydyJLotZXRh2Wplr5bMFIb3KLMHIgIVwY