ঘোষিত বাজেট কিছুটা পলিশ করা দরকার উল্লেখ করে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, বাজেটে কিছুটা ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলেও সরকার লক্ষ্য পূরণে অবিচল থেকে কাজ করে যাচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, বাজেটের লক্ষ্য পূরণে অটল থেকে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
আজ শুক্রবার (২৫ জুন) সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্ট্যাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ কি বৈষম্যমূলক পুনরুদ্ধারের পথে?’ শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাজেট হলো অর্থনীতির গিয়ার। অর্থনীতিকে পরিবর্তন করতে বাজেট গিয়ারের কাজ করে। এখন বিষয় অর্থনীতি হাই গিয়ারে, নাকি লো গিয়ারে, নাকি নিউট্রাল বসে থাকবে সেটা নির্ধারণ করার অধিকার সরকারের আছে।
তিনি বলেন, এই সরকার দেশের সবার ঘরে ঘরে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশের দুই তৃতীয়াংশ মানুষ গ্রামে বাস করে এবং এই গ্রামকেই অবহেলা করা হতো একসময়। এই গ্রামের মানুষদের উন্নয়নে কাজ করেছে সরকার, যেটি আগে সম্ভব ছিল না।
বাজেট নিয়ে মুক্ত আলোচানয় অংশ নেন, বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি এ বাজেটকে রাজনৈতিক সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আলোচানয় আরও অংশ নেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ পারভেজ ইমদাদ, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
ড. ফাহমিদা খাতুন বাজেট প্রণয়ন প্রসঙ্গে বলেন, বাজেট যেহেতু জনগণের স্বার্থে প্রণয়ন করা হয়, সেহেতু জনগণের সঙ্গে আলোচনা করে, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে বাজেট প্রণয়ন করা সমীচীন। অথচ বাংলাদেশে বাজেট নিয়ে আলোচনা করা হয় পেশাজীবীদের সঙ্গে, ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে। ফলে বাজেট হয় পুরনো অর্থবছরের বাজেটের ধারাবাহিকতা মাত্র। বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া হয়ে ওঠে ‘টপ ডাউন অ্যাপ্রোচ। ’
প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২১-২০২২ অর্থ বাজেটকে সামনে রেখে আয়োজিত মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
News Courtesy:


