Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

‘গোষ্ঠীতান্ত্রিক হয়ে পড়ছে বাজেট’

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

বাজেটের বরাদ্দ গোষ্ঠীতান্ত্রিক হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আর বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নেই বলে মনে করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। অন্যদিকে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, কিছুটা ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলেও সরকার সঠিক পথেই রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার সকালে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ কি বৈষম্যমূলক পুনরুদ্ধারের পথে?’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারের বক্তব্যে তাঁরা এসব মন্তব্য করেন।

বাজেটের কিছু জায়গা পলিশ করার প্রয়োজন আছে উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী আরো বলেন, ‘অর্থনৈতিক পরিবর্তনের গিয়ার হলো বাজেট। হাই গিয়ারে যাবে, নাকি লো গিয়ারে যাবে, নাকি নিউট্রালি বসে থাকবে—তা ঠিক করার অধিকার সরকারের আছে।  ব্যবসায়ীরাও বলছেন বাজেট বিজনেস ফ্রেন্ডলি হয়েছে। কিছু এরিয়া পলিশ করার প্রয়োজন আছে।’

সিজিএস নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মূল দায়িত্ব বাঙালিকে ঘরে ফিরিয়ে আনা, আস্থা দিয়ে বসবাস করানো। পেটে-ভাতে, আলো-বাতাসে পৃথিবীর অন্যান্য মানুষের মতো ভদ্রভাবে বাস করার একটি সুযোগ তৈরি করা। আমরা বোধ হয় সেই পথেই আছি। যদিও আমি স্বীকার করব, যে গতিতে আমরা আশা করেছিলাম, সেই গতিতে পারিনি।’

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘মুক্তবাজার অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। আর বাংলাদেশের ইকোনমি পিকুলিয়ার মডেলে রয়েছে। একটা গোষ্ঠীতান্ত্রিক শাসক গোষ্ঠী দেশকে পরিচালনা করছে। পুরা বাজেট অ্যালোকেশন গোষ্ঠীতান্ত্রিক হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘১০ হাজার লোক কালো টাকা সাদা করার সুযোগ পেয়েছে। তাদের থেকে ১০ শতাংশ কর আদায় হয়েছে। আট লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে টার্গেটেড কিছু লোকের সুযোগ-সুবিধার জন্য বাজেট করা হয়েছে। অতিরিক্ত কয়েক গুণ খরচ করে যে প্রকল্প করছে, সেগুলো জিডিপিতে চলে আসছে। বর্তমানে বাংলাদেশে যে অর্থনৈতিক মডেল চালু আছে, তা বন্ধ হবে না। ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে তাদের সুবিধা দিতে হবে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, “কেউ আর ‘মহেশ কিংবা গফুরের’ কাছে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা বোধ করছে না। কারণ ভোটের প্রয়োজন হয় না।”

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘যেহেতু বাজেটটি জনগণের জন্য, তাই তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপ করে বাজেট প্রণয়ন করতে হবে। কিন্তু তারা তা করছে বলে আমরা দেখিনি। আমরা দেখেছি ব্যবসায়ীদের

সঙ্গে আলোচনা করা হয়। বাজেট বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াতেও কোনো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নেই।’

News Courtesy:

https://www.facebook.com/groups/2844964482230591/permalink/4117600291633664/