Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

এলডিসি থেকে উত্তরণে সম্ভাবনাও তৈরি হবে

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পর বাংলাদেশের জন্য একদিকে যেমন চ্যালেঞ্জ থাকবে, তেমনি বিপুল সম্ভাবনাও তৈরি হবে। এ জন্য বাংলাদেশকে সাহায্যনির্ভর থেকে বিনিয়োগবান্ধব দেশে পরিণত হতে হবে। সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এক সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা বলেন, মাথাপিছু জাতীয় আয় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানকে তুলে ধরে না।

গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নীত হওয়া উপলক্ষে আয়োজিত সংলাপে এলডিসি থেকে উত্তরণ নিয়ে বর্তমান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও বিএনপির সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী মঈন খানের মধ্যে কথার বাহাস হয়েছে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি নেতা মঈন খান বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয় তিনটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে। কিন্তু গণতন্ত্র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যেটি এ তিন শর্তের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। তিনি বলেন, সুশাসন ও গণতন্ত্রকে মূল্যায়ন না করে আমরা উন্নয়নকে প্রাধান্য দিচ্ছি।’ তিনি এ পদ্ধতিকে প্রোপাগান্ডা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের এ উন্নতি একটুকরো কাগজ হিসেবেই থাকবে। বাস্তবে এর প্রতিফলন দেখা যাবে না।

সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, দেশে এখন অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমাজের মধ্যে ভারসাম্য নেই। মাথাপিছু আয় বাড়লেও লাভ নেই, যদি আয়ের সমবণ্টন না হয়। দেশে ধনী-গরিবের বৈষম্য বাড়ছে। দুর্নীতি ও জবাবদিহির অভাব প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতাকে নষ্ট করে দিয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে এসে ক্লান্ত হয়ে ফিরে যাচ্ছে। গণতন্ত্র না থাকায় সুশাসন হচ্ছে না। কাগুজে শান্তি বিরাজ করছে।

মঈন খানের বক্তব্যের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আয়বৈষম্য থাকলেও বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যেখানে বৈষম্য নেই। কোভিড মহামারির সময়ে প্রধানমন্ত্রী দরিদ্রতম মানুষের জীবন-জীবিকার ক্ষতি কমাতে বিধিনিষেধ দিয়েছিলেন। প্রতিবেশী দেশগুলোর জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক হলেও বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি এখনো ইতিবাচক। মন্ত্রী আরও বলেন, সুশাসনের গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একে অপরের বিকল্প হতে পারে না, আমাদের দুটোই প্রয়োজন।’

সিজিএসের চেয়ারম্যান মনজুর আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে আরও বক্তব্য দেন তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী প্রমুখ। সংলাপে একাধিক বক্তা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি সই হলে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পথ সুগম হবে।

News Courtesy:

https://www.prothomalo.com/business/economics/%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87