Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

‘আগামী নির্বাচনের আগে ভয়াবহভাবে ক্রসফায়ার ও গুম বাড়বে’

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

আগামী বছর ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে দেশে গুম ও ক্রসফায়ার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনেরা। মূলত সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এক ওয়েবিনার আলোচনায় এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মো. নূর খান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. আলী রীয়াজ, ড. আসিফ নজরুল ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

সোমবার (২১ মার্চ) সিজিএস আয়োজিত ‘কোথায় আছেন তারা? বাংলাদেশে গুমের ঘটনা’ শীর্ষক আলোচনা অনলাইন সভায় একত্রিত হয়েছিলেন দেশের এই বিশিষ্ট নাগরিকগণ। তারা বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে গুম, ক্রসফায়ারের মতো ঘটনাগুলো বেযে যাওয়ার মতো এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। 

ওই ওয়েবিনারে উপস্থিত ছিলেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. নূর খান, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়ন্স স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ,  বেলার নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। ওয়েবিনারটি সঞ্চলনা করেন সিজিএস এর নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান।

মো. নূর খান বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে জঙ্গি উথানের বিষয়টি দেখিয়ে দেশে গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ক্রসফায়ারের পরিস্থিতি তৈরি করা হতে পারে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে গুমের ঘটনা কিছুটা কমে এসেছে। তবে এটি একেবারে কমে গেছে বলার সুযোগ নেই। কারণ, এখনকার সময় থেকেও আগামী নির্বাচনের আগে এ ধরণের ঘটনা বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ক্ষমতাসীনরা তাদের অবৈধ সম্পদ রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করতে দেখা গেছে।, প্রাইভেটাইজেশন ভায়োলেশন বা দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়নে জড়িত ব্যক্তিরা গুম খুনের ঘটায় তাদের ভাড়া করা কিংবা নিজেদের সৃষ্টি করা বাহিনী ব্যবহার করে।

ওয়েবিনারের প্রধান আলোচক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়ন্স স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ 'কোথায় আছেন তারা? বাংলাদেশে গুমের ঘটনা ' বিষয়ক গবেষণার বিষয়টি তুলে ধরেন। এই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর তিন বছরের মধ্যে ৭১ জন ব্যক্তির গুম হওয়ার ঘটনা শনাক্ত করা হয়। যারা কমপক্ষে দু'দিন নিখোঁজ ছিলেন। এছাড়া অধিকারের তথ্যমতে, ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মোট ৫২২ জন ব্যক্তি গুমের শিকার হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য মতে, ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মোট ৩৭৮ জন ব্যক্তি গুমের শিকার হয়েছেন বলে এই গবেষণায় তুলে ধরা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কেউ যেন নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার না করতে পারে সেদিকে আমাদের নজর রাখা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

News Courtesy:

https://www.bvnews24.com/national/news/60896?fbclid=IwAR3EALH3dTOHG65e3M8U_vQCYdjKEifZWa3WF8vXijZ7PcrebCG3ZhraoZg#.YjljFxXXRHg.facebook