আগামী নিবার্চন ফ্রি হলেও ফেয়ার নাও হতে পারে। তাই আগামী নিবার্চন কেমন হবে তা নিবার্চন কমিশনের (ইসি) জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। ফেয়ার ইকেলশনের জন্য সরকারকেও এ চ্যালেঞ্জ নিতে হবে, কারণ আন্তজাির্তক মহল তাকিয়ে আগামী নিবার্চনের দিকে।’
শনিবার সকালে রাজধানীর ইস্কাটন গাডের্ন রোডস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে সেন্টার পর গভনের্ন্স স্টাডিজ আয়োজিত ‘রাজনীতি এবং জনগণের ভোটাধিকার’ শীষর্ক সেমিনারে এ মন্তব্য করেন সাবেক নিবার্চন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘অনেক ইতিহাস আছে যে, নিবার্চন ফ্রি হলো কিন্তু ফেয়ার হলো না। দীঘর্ লাইনে মূতির্র মতো দঁাড়িয়ে আছেন ভোট দেয়ার জন্য, অথচ বুথে ঘটে অন্য ঘটনা। বুথে গিয়ে তাকে বলা হলো তুমি হাতে কালি মেখে চলে যাও আর ব্যালট পেপার দিয়ে দাও- এমন যেন না হয়।’
তিনি বলেন, ‘এসব দেখার বিষয় ইসির। কিন্তু এখন ইসি নিজেরা মাঝে মধ্যে এমন সব কথা বলছে যা তারা নিজেদের বিতকির্ত করে ফেলছে। মনে রাখতে হবে বিশ্ব তাকিয়ে আগামী নিবার্চনের দিকে। সরকারের অধীনে এর আগে নিবার্চন হলেও এবারই প্রথম দলীয় সরকারের অধীনে সব দল অংশ নিচ্ছে। মনে রাখতে হবে, আগামী ৩০ ডিসেম্বরের নিবার্চন ফ্রি ও ফেয়ার করতে ইসির জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। একে গ্রহণযোগ্য করতে সব রকম সহযেগিতা করতে হবে সরকারকে।’
সেমিনারের প্রথম অধিবেশনে সুপ্রিম কোটর্ বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম বলেন, নিবার্চন নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা বেশি। কিন্তু এখন কিছু মানুষ জামিন নিয়ে হাইকোটের্ দীঘর্ লাইনে দঁাড়িয়ে থাকেন। তারা ঘর ছাড়া। তারা জামিন কখন নেবেন আর নিবার্চনে কখন আসবেন। আবার প্রিজাইডিং কে হবেন তা নিয়েও নানা কথা হচ্ছে।
ফেয়ার নিবার্চন নিয়ে আমাদের প্রথমে দেখতে হবে গ্রাম-শহর-বস্তির মানুষ হয়রানি হচ্ছে কিনা, তারা জামিন পাচ্ছে কিনা।
তিনি বলেন, অন্তত একটি মাস সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করলে ভোট সুষ্ঠু হবে। কারণ ভোট মানুষের মুক্তির পথ, উন্নয়নের পথ, ক্ষমতায়নের পথ। জনগণকে চলার পথ সুগম করে দেন, তাদের প্রতি ভরসা রাখুন। ভোটের অধিকার দিন, জনগণ জানে কাকে ভোট দিতে হয়।
টিভি উপস্থাপক জিল্লুর রহমানের উপস্থাপনায় আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. এম আতাউর রহমান।
News Courtesy: http://www.jaijaidinbd.com