Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

ডিএসএর মতো নিপীড়নমূলক হবে সাইবার নিরাপত্তা আইন: ওয়েবিনারে বক্তারা

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

মানহানি বা রাজনৈতিক আদর্শ বা বিশ্বাসকে সুরক্ষা দেওয়ার কোনো চেষ্টা পাশ্চাত্যের আইনে নেই বলে প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়। তাতে বলা হয়, বাংলাদেশের আইনের বিপজ্জনক বিধান হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি ও পুলিশকে মাত্রাতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যার অপব্যবহার ইতিমধ্যে দেখা গেছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা বা অদক্ষতার কারণে নাগরিকদের গোপনীয়তা ফাঁস হলেও সেই প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহির কোনো ব্যবস্থা আইনে নেই। ইউরোপ বা যুক্তরাজ্যের আইনের সঙ্গে বাংলাদেশের মিল শুধু আইনের নামকরণের সংক্ষিপ্ত রূপ ডিএসএতেই সীমিত, নাগরিকদের অগ্রাধিকারে নয়।

কামাল আহমেদ বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সরকারকে সুরক্ষা দিয়েছে। ক্ষমতায় থাকা রাজনীতিবিদদের সুরক্ষা দিয়েছে। ফলে রাজনৈতিক কারণেই ভিন্নমত ঠেকাতে এ আইন ব্যবহৃত হয়েছে। এ আইনের যে ধারাগুলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করেছে, সেগুলো সংশোধন করতে হবে। আইনে অপরাধের সংজ্ঞা স্পষ্ট করতে হবে।

আলোচনায় অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। সেই ধারাগুলো প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনেও দেখা যাচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বিচারিক দায়িত্ব অনেকটা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, প্রস্তাবিত আইনেও সেটির বদল হচ্ছে না। সাইবার নিরাপত্তা আইনটি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রক্রিয়ারও সমালোচনা করেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, সরকার প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনটি ওয়েবসাইটে দিয়ে বলছে, ১৫ দিনের মধ্যে যা বলার বলেন, এরপর আইন করে ফেলব। আইন করায় অংশীজনদের কোনো ভূমিকা নেই।

News Courtesy:

http://www.banginews.com/web-news?id=a2c3f8db311b0f86fbee58e9c4cf7964fdd1e891