Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

‘মন্ত্রীদের এই সংলাপে আসার কথা ছিল, তাঁরা আসেননি’

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপ-২০২২ (বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন)’–এ কয়েকজন মন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও তাঁরা যাননি বলে উল্লেখ করে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেন, বাংলাদেশের মন্ত্রীরা সমালোচনামূলক প্রশ্নের সামনে দাঁড়াতে পারেন না।

রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত তিন দিনের এই সংলাপের প্রথম দিন আজ সোমবার দুটি অধিবেশনে দুজন মন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। আরেকটি অধিবেশনে আমন্ত্রিত অতিথির তালিকায় ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

নূরুল কবীর বলেন, ‘এই সংলাপে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাঁরা আসেননি। আমি আমার পত্রিকার সাংবাদিকের কাছে জানতে চাইলাম, কেন তাঁরা আসেননি? উনি জানিয়েছেন, গতকাল (রোববার) রাতে সব মন্ত্রী এখানে আসার সিদ্ধান্ত বাতিল করেছেন।’

নূরুল কবীর বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিবিদেরা সমালোচনামূলক প্রশ্নের সামনে দাঁড়াতে পারেন না। অনেক প্রশ্নের উত্তর তাঁরা দিতে পারবেন না। কেউ যদি তাঁদের মধ্যরাতের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তার কোনো জবাব তাঁদের কাছে নেই।

সাংবাদিকতার সংকট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নূরুল কবীর বলেন, সাংবাদিকেরা যদি একটি মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র না পান, তাহলে জনগণের জন্য সঠিক তথ্য দেওয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব হয় না। ফলে সবাইকে মুক্ত ও শক্তিশালী সাংবাদিকতার পক্ষে দাঁড়াতে হবে, যা দক্ষিণ এশিয়ার কিছু গণমাধ্যম করার চেষ্টা করছে।

সংলাপের আরেকটি অধিবেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় নয়, পৃথিবীজুড়ে একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা এবং বয়ান শক্তিশালী হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে সরকারগুলো উন্নয়ন নিয়ে যে বয়ান দিচ্ছে, তা সংকটকে সব সময় আড়াল করছে। ফলে আন্তর্জাতিক বড় সংকটের সময় এসব দেশ বিপদে পড়ছে। এটা রাজনৈতিকব্যবস্থার ব্যর্থতা, যা আমরা পাকিস্তান ও শ্রীলংকার ক্ষেত্রে দেখেছি।

News Courtesy:

https://www.prothomalo.com/bangladesh/bsq8gh171l