জার্মানি ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫০ বছরে একটি শক্তিশালী সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এখন আমাদের উচিত ভবিষ্যৎ সম্পর্কের পথরেখার প্রতি নজর দেয়া। বিভিন্ন সমস্যা একত্রে মোকাবেলার জন্য জার্মানি এবং বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী বন্ধুত্ব প্রয়োজন। বাংলাদেশ-জার্মানি কূটনৈতিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘জার্মানি-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যোগ দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন ফ্রেডরিখ-অ্যাবার্ট-স্টিফটাং বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি ফেলিক্স কোলবিত্জ এবং সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী। মূল বক্তব্য রাখেন সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মো. তৌহিদ হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু সংকট মোকাবেলার পাশাপাশি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনেও জার্মানিকে পাশে দাঁড়াতে হবে।
জার্মান রাষ্ট্রদূত আখিম ট্র্যোস্টার বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ ও জার্মানি উভয় রাষ্ট্রেরই ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশ শিগগিরই মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। আসন্ন দিনগুলোয় বাংলাদেশ কীভাবে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
মূল আলোচনায় অংশ নেন ইইউর রাষ্ট্রদূত চার্লস হুইটলি, সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং সিজিএসের উপদেষ্টা নাসিম ফেরদৌস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (পশ্চিম ইউরোপ ও ইইউ) ফাইয়াজ মুরশিদ কাজী, বাংলাদেশ-জার্মান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবদুল মুক্তাদির প্রমুখ।
News Courtesy: