Centre for Governance Studies, Dhaka

CGS in the media

প্রত্যাশা পূরণের দিক নির্দেশনা নেই বাজেটে

Press clipping reproduced from the original publication, as archived on the CGS website.

 

করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য, কৃষি, সামাজিক সুরক্ষা ও কর্মসংস্থানে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার কথা শুধু কথামালায় সীমাবদ্ধ রয়েছে। বাজেটে জরুরি সব খাতের প্রত্যাশা পূরণের বাস্তব প্রতিফলন নেই। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের বেশিরভাগ বেতন-ভাতায় যাবে বলে সংকটের সমাধান হবে না। মহামারিতে দরিদ্র বা কর্মহীন হয়ে পড়া লোকজন কতটা সরকারি সহায়তা পাবে, তা অস্পষ্ট। আয়-ব্যয়ের সামঞ্জস্য না থাকায় এ বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়।

 

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাটিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘জীবন, জীবিকা এবং জাতীয় বাজেট’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় গতকাল রোববার এমন মন্তব্য করেছেন অংশগ্রহণকারীরা। এতে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকসহ রাজনীতিবিদ, গবেষক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, সাবেক আমলা, সাংবাদিকসহ অনেকে অংশ নেন। সঞ্চালনা করেন সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিলল্গুর রহমান।

 

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রয়োজনকে বিবেচনায় রেখে বাজেট করা হয়েছে। কৃষিতে ৫০০ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে নিয়মিত বরাদ্দের পাশাপাশি ১০ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। লাগলে আরও দেওয়া হবে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দ নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন। প্রকৃত অবস্থা হচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। শহরে বস্তিবাসীর হয়তো সমস্যা আছে। এদের সরকার দেখবে। বিএনপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, করোনাকালে মানুষের আকাঙ্ক্ষা প্রস্তাবিত বাজেটে উঠে আসেনি। সরকার শুরু থেকে মহামারি মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি উঠলেও বাস্তবতা হচ্ছে আফগানিস্তানের চেয়েও এ খাতে জনপ্রতি সরকারের ব্যয় কম। ব্যাংকে টাকা রেখে কালো টাকা সাদা করা গেলে কেন মানুষ বিনিয়োগ করবে বা শেয়ারবাজারে যাবে এমন বলেন তিনি।

 

 

জিল্লুর রহমান বলেন, গতানুগতিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ানো বাজেট মানুষ এবার চায়নি। মানুষ চেয়েছে স্বাস্থ্যসেবায় তার নিজের খরচ কমবে এবং সরকারি হাসপাতাল থেকে মানসম্মত সেবা কতটা পাবে।

 

এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমেদ বলেন, শুধু সরকারি প্রণোদনায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান চলতি সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না। সবাইকে নিজের ক্ষমতায় ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। ভোগ-বিলাস কমাতে হবে। বাজেটে রাজস্ব আয় ও বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির ধারণাকে এক কথায় কল্পনানির্ভর মন্তব্য করে সিডিপির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দ বড় করে দেখাতে সরকারি কর্মচারীদের পেনশন, সঞ্চয়পত্রের সুদও যোগ করা হয়েছে।

 

News Courtesy: https://samakal.com/